রবিবার ২৫ জুন ২০১৭


কৃষিজমির মাটি ইটভাটায় ব্যবহার করা যাবে না : পূর্তমন্ত্রী


আমাদের অর্থনীতি :
29.07.2016

ফারুক আলম : কৃষিজমির মাটি ইটভাটায় ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা রিজেন্সি হোটেলে ‘প্রোমোটিং সাসটেইনেবল বিল্ডিং ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের ন্যাশনাল ইনসেপশন কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ইটভাটায় কৃষিজমির মাটি ব্যবহার করলে ভবিষ্যতে খাদ্য সংকট সৃষ্টি হবে। কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি কেটে নিয়ে ইটভাটায় ব্যবহার করলে সেই জমির উর্বরতা হারায়। দীর্ঘদিন এ জমিতে কোনো ফসল উৎপন্ন হয় না। বর্তমানে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এ অবস্থা বজায় রাখতে ইট তৈরিতে কৃষিজমির মাটি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এইচবিআরআই), অক্সফাম বাংলাদেশ, বেলা, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।

গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ইট তৈরিতে বিকল্প প্রযুক্তির উদ্ভাবন হয়েছে। নদীর তলদেশ খনন করে বালি মিশ্রিত যে মাটি পাওয়া যায়, তা দিয়ে নতুন প্রযুক্তিতে ইট তৈরি করা যায়। দেশে অকৃষি জমির পরিমাণ মাত্র ২৭ ভাগ। দেশের বিপুল জনসংখ্যার আবাসন চাহিদা পূরণের জন্য সুউচ্চ ভবন নির্মাণের হার বেড়ে গেছে। সেখানে প্রচুর ইট ব্যবহার হচ্ছে। এর বিকল্প হিসেবে এইচবিআরআই ফেরোসিমেন্ট উদ্ভাবন করেছে। এ ফেরোসিমেন্ট দিয়ে দোতলা ভবন সহজেই নির্মাণ করা যায়। গ্রামে ইটের দেয়াল দিয়ে টিনশেডের যেসব বাড়ি নির্মাণ হচ্ছে, সেখানে ফেরোসিমেন্ট ব্যবহার করলে ব্যয় কমবে।
এইচবিআরআই-এর পরিচালক আবু সাদেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ডেলিগেশনের হেড অব ইউনিট মারিও রনকোনি, বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের পরিচালক (প্রোগ্রাম) হাসান আরিফ ও অক্সফাম বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্নেহাল ভি সোনেজি। দিনব্যাপী এ কর্মশালায় সরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রকৌশলীরা অংশ নেন। সম্পাদনা : সুমন ইসলাম