শনিবার ১৮ নভেম্বর ২০১৭
  • প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » মাংস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট
    রাজধানীর অধিকাংশ হোটেলে তেহারী-বিরিয়ানি বিক্রি বন্ধ


মাংস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট
রাজধানীর অধিকাংশ হোটেলে তেহারী-বিরিয়ানি বিক্রি বন্ধ


আমাদের অর্থনীতি :
17.02.2017

 

বিপ্লব বিশ্বাস: রাজধানীর অধিকাংশ হোটেল গরু এবং খাসির মাংস শূন্য গত  সোমবার থেকে। কারণ গত কয়েকদিন ধরে ঢাকায় চলছে মাংস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট। এ ধর্মঘট চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত। আর এ জন্য এখন সহজে মিলছে না অনেকের পছন্দ কাচ্চি বিরিয়ানি, বিফ ভুনা খিচুড়ি, গরু বা খাসির কাবাব।

ঢাকার পরিচিত হোটেল স্টার কাবাবের ম্যানেজার ফয়সাাল আহমেদ জানালেন, গরু এবং খাসির মাংসের চাহিদা তাদের হোটেলে সবচেয়ে বেশি। গত কয়েকদিন ধরে কাচ্চি বিরিয়ানিসহ গরু এবং খাসির মাংসের সাথে স¤ম্পৃক্ত খাবার তারা তৈরি করতে পারছেন না। আরেকটি হোটেলের ম্যানেজার জানালেন, প্রতিদিন তারা গড়ে একশ প্যাকেট কাচ্চি বিরিয়ানি বিক্রি করতেন। কিন্তু মাংস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট শুরুর পর  থেকে কাচ্চি রিবিয়ানি বন্ধ আছে।

মাংস ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং আরো কয়েকটি দাবি বাস্তবায়নের জন্য তারা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। ফলে ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাজার এবং পাড়া-মহল্লায় প্রায় সাড়ে চার হাজার মাংসের দোকান বন্ধ আছে বলে জানালেন বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন জায়গা বাড়তি টাকা এবং চাঁদা দেয়ার কারণে গরুর মাংসের কেজি ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি করেও পুষিয়ে ওঠা সম্ভব হচ্ছে না।  তবে ঢাকার অভিজাত হোটেলগুলোতে গরু এবং খাসির মাংসের আইটেম তৈরি হচ্ছে। এছাড়া অভিজাত সুপার-শপগুলোতে গরু এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে।

ঢাকার ধানমন্ডিতে একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টের একজন ম্যানেজার জানালেন, তাদের স্টকে গরু এবং খাসির মাংস ছিল। ফলে মঙ্গলবার পর্যন্ত তারা কাস্টমারদের চাহিদা পূরণ করতে পেরেছেন। কিন্তু গত বুধবার  থেকে  সেটি আর সম্ভব হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শহরজুড়ে গরু এবং খাসির মাংসের  দোকান বন্ধ থাকায় মুরগির দাম বেড়েছে। এমন অবস্থায় যাদের পছন্দের তালিকায় গরু এবং খাসির মাংস রয়েছে তাদের আরো কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে। সম্পাদনা: এনামুল হক