মঙ্গলবার ২৪ অক্টোবর ২০১৭


রমজান : করনীয় ও বর্জণীয়


আমাদের অর্থনীতি :
16.06.2017

মকবুল হামিদ:আরবি বার মাসের মধ্যে সর্বশ্রষ্ঠ ও সম্মানিত মাস হল রমযান মাস। পবিত্র এ মাসে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআন সর্বশেষ রাসুল (সা) এর উপরে নাযিল করেছেন। রমযানের শেষ দশকে এমন এক রজনী আছে যার মর্যাদা হাজার মাস অপেক্ষায় শ্রেষ্ঠ। আল কুরআনে এ রজনীকে ‘লাইলাতুল ক্বদর’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। পুরো রমযানকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। রহমত, মাগফিরাত, নাযাত। ইসলামের ৫টি স্তম্ভের মধ্যে রোজা ৩য় স্তম্ভ। আল্লাহ তায়ালা আমাদের উপড় সাওমকে ফরজ করে দিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন ‘হে মুমিনগণ, তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে যেমন ফরজ করা হয়েছিল  তোমাদের পূর্ববর্তী নবীগণের উপর’ (বাক্বরা:১৮৩).

রাসুল (সা) বলেন, যখন রমযান মাসের আগমন ঘটে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। এবং শয়তানকে শিকলাবদ্ধ করা হয়। তাই রমজানের কিছু করণীয় ও বর্জনীয় কাজের প্রতি লক্ষ রাখা প্রয়োজন।

করণীয় কাজসমূহ

পবিত্র রমযান মাসে আমাদের অনেক কিছু করণীয় কাজ আছে। সেগুলোর মধ্য থেকে  উল্লেখযোগ্য  কয়েকটি কাজ নিচে দেওয়া হল, ফরজ ইবাদাত করা, নফল ইবাদাত বেশি বেশি করা, কুরআন তিলোওয়াত করা, বেশি বেশি জিকির করা, গুনাহ মাফের জন্য প্রভুর নিকট দোয়া করা, প্রতিদিন ইফতারের পূর্বমুহূর্তে দোয়া করা, বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া, ইতিকাফে বসা, লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করা এবং নফল নামজ বেশি পড়া,  রোজাদার ব্যক্তিকে ইফতার করানো।

বর্জণীয় কাজসমূহ : মিথ্যা না বলা, চোখ, মুখ ও যৌননাঙ্গ হেফাজতে রাখা, শিরক না করা, রোজাদার ব্যক্তির সামনে আহার না করা, সকল প্রকার অশ্লীল কাজ থেকে বিরত থাকা,  কাউকে কষ্ট না দেওয়া, গীবত না করা, জুলুম না করা, সুদ, ঘুষ না খাওয়া, দিনের বেলা যৌন কাজ না করা।