বৃহস্পতিবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭


বিরাট কোহলিকে জেলে ঢুকাও, দাবি সমর্থকদের


আমাদের অর্থনীতি :
20.06.2017

 

স্পোর্টস ডেস্ক : এখুনি নির্বাসিত করা হোক আজীবনের জন্য! এখুনি ঘাড় ধরে ঢুকিয়ে দেওয়া হোক জেলে! ‘ক্রিকেটার নও, তুমি জুয়াড়ি!

আক্রমণের তীর কার দিকে না বললেও, বিলক্ষণ বোঝা যায়। বিরাট কোহলি। কত সহজে এভাবে বলে ফেলা যায়! বলে ফেললেনও এক অখ্যাত কামাল আর খান। যিনি নিজেকে সিনেমা সমালোচক পরিচয় দিতে ভাল বাসেন। এতদিন তাই বাসতেনও। কিন্তু আচমকা দেশপ্রেম জেগে ওঠায়, বিরাট কোহলির মু-পাত করবেন ঠিক করেছেন। রোববার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে গো-হারা হেরেছে ভারত। রাগ, ক্ষোভ, যন্ত্রণা থাকায় কোনও অন্যায় নেই। আবেগের বহিঃপ্রকাশটাও কিঞ্চিৎ রূঢ় হবে, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তা বলে একেবারে জেলে পুরে দেওয়ার দাবি ক্যাপ্টেনকে জুয়াড়ি তকমা দিয়ে গায়ের জ্বালা জুড়নো তা হলে আর কি ফারাক রইল প্রতিবেশী দেশের সমর্থক আর ভারতের সমর্থকদের মধ্যে

ফারাকটা মিটিয়ে দেওয়ার দায়িত্বটা কামাল আর খান টুইটারে খুব ভাল মতোই নিয়েছিলেন রোববারের ম্যাচ শেষের পর থেকে! একের পর এক টুইট করে বিরাটকে আক্রমণ করেন তিনি। লিখেছেন,‘১৩০ কোটির আবেগ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বিরাটকে এখনই জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হোক।

একবার ক্যাচ পড়ল বিরাটের। তার পরেও শিক্ষা নেই তার পরও একটা সহজ ক্যাচ দিল একবারও ভয় করল না যে সবাই বুঝে যাবে ও জুয়ায় জড়িত’ এখানেই শেষ নয়, একটি টুইটে বিরাট ছাড়াও যুবরাজ আর ধোনিকেও কটাক্ষ করেন মিস্টার কে আর কে! লিখেছেন, ‘বিরাট, যুবরাজ আর ধোনি লোককে অনেক বোকা বানিয়েছ। এবার অবসর নিয়ে বাঁচাও। যদি তোমাদের শরীরে এতটুকু লজ্জা বাকি থাকে।’?

কামাল আর খানের এই বিস্ফোরক সব টুইট দেখে পাকিস্তানি সমর্থকরা চুপ থাকতে পারেননি। সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হল, এই ভারতীয় সমর্থকের নির্লজ্জ আচরণ দেখে তারাই প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন। একজন লিখেছেন, ‘?হারটা মানতে শিখুন। নির্বোধের মতো কথা বলা বন্ধ করুন।’? আরেক পাক সমর্থক টুইট করেছেন,‘?কী করে ভুলে গেলেন, বিরাট আপনাদের দলের সেরা ব্যাটসম্যান?? মাত্র একটা ম্যাচে হেরেছে বলেই, বিরাটের সব পরিশ্রম ভুলে যেতে হবে??’? মহম্মদ ইফরাহিম নামে একজন টুইট করেন, ‘?আপনার লজ্জা হওয়া উচিত কেআরকে!? এতটা স্বার্থপর হলেন কী করে?? কী করে ভুলে গেলেন বিরাট কী কী করেছে??’?

এক ভারতীয় সমর্থক যখন এমন বিশ্রী মানসিকতার পরিচয় দিলেন, তখন পাক সমর্থকদের ভূমিকা সত্যিই ইতিবাচক। কিন্তু একটা প্রশ্ন এর পরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠল আবার, আর কবে খেলার হার-জিত মানতে শিখবেন এই ধরনের নির্বোধ সমর্থকরা?? -আজকাল