শনিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭


বাফুফের সব কিছুই চলে বাকিতে


আমাদের অর্থনীতি :
17.07.2017

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশিয় ফুটবলের শাসক সংস্থা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ব্যবস্থাপনায় দেশের মাটিতে জাতীয় কিংবা আন্তর্জাতিক কোনো টুর্নামেন্ট হলে, তার বেশিরভাগই নগদ অর্থের পরিবর্তে বাকিতেই অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

যেমন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কাপের প্রাইজমানি পায়নি নেপাল-বাহরাইন। বাংলাদেশ জাতীয় দলের ভাগ্যেও জোটেটি বোনাস মানি। ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও রহস্যজনক কারণে দেড় কোটি টাকার পাওনা আদায় করেনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। উল্টো ব্যাংক গ্যারান্টি ফেরত দেয়া হয়েছে।

২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় আর্জেন্টিনা ও নাইজেরিয়া প্রীতি ম্যাচের আগেরদিন অনুশীলন সেশনের টিকিট বিক্রির স্বত্ব পেয়েছিল আপন কমিউনিকেশন্স। দেড় কোটি টাকায় বাফুফের কাছ থেকে স্বত্ব কিনে নিয়েছিল ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিটি। এজন্য ব্যাংক গ্যারান্টিও বাফুফেকে দিয়েছিল আপন কমিউনিকেশন্স। কিন্তু খেলা শেষে বাফুফের পাওনা না দিয়ে উল্টো ব্যাংক গ্যারান্টি তুলে নিয়ে যায় কোম্পানিটি। তবে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিবর্তে আপন কমিউনিকেশন্স বাফুফেকে ৫০ লাখ টাকার চেক দেয়। দু’বছর পরও সেই ৫০ লাখ টাকা বুঝে পায়নি বাফুফে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বাফুফের হিসাব বিভাগের যোগসাজশে একটি চক্র অনুশীলন সেশনের টিকিট বিক্রির টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংক গ্যারান্টি ফেরত দেয়ার বিনিময়ে মোটা অংকের অর্থ পেয়েছেন বাফুফের কয়েকজন কর্মচারী। আর্জেন্টিনা ও নাইজেরিয়া প্রীতি ম্যাচ আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন বাফুফের তৎকালীন সদস্য আনোয়ারুল হক হেলাল। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আপন কমিউনিকেশন্স ৫০ লাখ টাকার চেক দিয়েছিল। বাফুফে চেক কেন ব্যাংকে জমা দিল না, তা আমার বোধগম্য নয়। এখন আর আমি যেহেতু বাফুফের সঙ্গে জড়িত নই, সেজন্য এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারছি না।’